বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট এখন আধুনিক ভ্রমণের একটি জরুরি দলিল। নতুন ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই গাইডে আপনি জানবেন সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সহজ ভাষায়। আজকাল বিদেশ যাওয়ার জন্য ই-পাসপোর্ট অত্যাবশ্যক। তাই ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম বুঝে নিন।
১০ বছরের ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম

আবেদন ফরম পূরণ করা ই-পাসপোর্টের প্রথম ধাপ। অনলাইনে www.epassport.gov.bd সাইটে গিয়ে রেজিস্টার করুন। সব তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। ফরমে নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখ সব লিখুন। মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিক দিন। ছবি আপলোড করার সময় নিয়ম মেনে চলুন।
আবেদন ফরম পূরণের প্রয়োজনীয় তথ্য:
- পূর্ণ নাম (জন্ম সনদ অনুযায়ী)
- জন্ম তারিখ ও স্থান
- বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা
- পিতা-মাতার নাম ও পেশা
- জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর
- শিক্ষাগত যোগ্যতা
- ইমেইল ও মোবাইল নম্বর
১০ বছরের ই-পাসপোর্ট ফি বাংলাদেশ
২০২৫ সালে ই-পাসপোর্ট ফি নির্ধারিত হারে দিতে হবে। সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ৩,৫০০ টাকা। জরুরি সেবার জন্য ৭,৫০০ টাকা। অনলাইন পেমেন্ট সবচেয়ে সহজ। ব্যাংক থেকেও টাকা দেওয়া যায়। পেমেন্ট রিসিট সংরক্ষণ করুন। টাকা দেওয়ার পর রিসিট নম্বর মনে রাখুন। রকেট, বিকাশ দিয়েও পেমেন্ট করা যায়।
| সেবার ধরন | ফি | ডেলিভারি সময় |
| সাধারণ | ৩,৫০০ টাকা | ২১ কার্যদিবস |
| জরুরি | ৭,৫০০ টাকা | ৭ কার্যদিবস |
| অতি জরুরি | ১০,০০০ টাকা | ২ কার্যদিবস |
ই-পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর
নতুন ই-পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর। এটি পুরানো পাসপোর্টের চেয়ে বেশি। ১০ বছর মেয়াদের কারণে বার বার নবায়ন করতে হয় না। শিশুদের ক্ষেত্রে মেয়াদ ৫ বছর। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট। মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬ মাস আগে নবায়ন করুন। মেয়াদ শেষ পাসপোর্ট দিয়ে ভ্রমণ করা যায় না।
মেয়াদের ধরন:
- ১৮+ বছর বয়স: ১০ বছর মেয়াদ
- ১৮ বছরের কম: ৫ বছর মেয়াদ
- কূটনৈতিক: ৫ বছর মেয়াদ
- সরকারি: ৫ বছর মেয়াদ
- ভ্রমণ দলিল: ২ বছর মেয়াদ
১০ বছরের ই-পাসপোর্ট নবায়ন প্রক্রিয়া
পুরানো পাসপোর্ট শেষ হলে নবায়ন করতে হবে। অনলাইনে নবায়নের আবেদন দিন। পুরানো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। নতুন ছবি ও কাগজপত্র লাগবে। নবায়ন ফি সাধারণ আবেদনের মতোই। নবায়নের সময় কম লাগে। অনলাইনে আবেদন করে অফিসে যান। পুরানো পাসপোর্ট সাথে নিয়ে যান।
| নবায়নের ধাপ | সময় | প্রয়োজনীয় কাগজ |
| অনলাইন আবেদন | ৩০ মিনিট | ইন্টারনেট সংযোগ |
| ডকুমেন্ট জমা | ১ ঘণ্টা | পুরানো পাসপোর্ট |
| বায়োমেট্রিক | ১৫ মিনিট | মূল ব্যক্তি |
| পেমেন্ট | ১০ মিনিট | ব্যাংক কার্ড |
অনলাইনে ১০ বছরের ই-পাসপোর্ট আবেদন
অনলাইন আবেদন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। www.epassport.gov.bd সাইটে একাউন্ট খুলুন। সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন। ছবি আপলোড করার সময় সাইজ দেখুন। পেমেন্ট সম্পন্ন করার পর প্রিন্ট নিন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ নির্বাচন করুন। নির্ধারিত সময়ে অফিসে যান।
১০ বছরের ই-পাসপোর্ট ছবি এবং সাইজ
পাসপোর্ট ছবির নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি তুলতে হবে। মাথার উপরে খালি জায়গা রাখুন। চোখের চশমা পরা যাবে। কিন্তু সানগ্লাস পরা যাবে না। ছবিতে হাসি কম রাখুন। সাম্প্রতিক ছবি ব্যবহার করুন। ছবির সাইজ ৩৫x৪৫ মিমি হতে হবে।
ছবির বিশেষ নিয়ম:
- সাদা পটভূমি বাধ্যতামূলক
- মুখ সোজা ও পরিষ্কার
- চোখ খোলা ও দৃশ্যমান
- প্রাকৃতিক অভিব্যক্তি
- টুপি বা হ্যাট পরা যাবে না
- ধর্মীয় কারণে মাথা ঢাকা যাবে
| ছবির বিবরণ | মাপ | শর্ত |
| উচ্চতা | ৪৫ মিমি | মাথা থেকে কাঁধ |
| প্রস্থ | ৩৫ মিমি | কান থেকে কান |
| রেজোলিউশন | ৩০০ ডিপিআই | পরিষ্কার ছবি |
| ফরম্যাট | JPG | কালার ছবি |
বাংলাদেশে ১০ বছরের ই-পাসপোর্ট বুকিং
অনলাইনে বুকিং দেওয়া সবচেয়ে ভালো। নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিস বেছে নিন। সুবিধাজনক তারিখ ও সময় বেছে নিন। বুকিং কনফার্ম হলে এসএমএস পাবেন। বুকিং স্লিপ প্রিন্ট করে নিন। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে পৌঁছান। দেরি হলে নতুন বুকিং দিতে হবে।
হারানো ১০ বছরের ই-পাসপোর্ট পুনরুদ্ধার
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিন। প্রথমে থানায় জিডি করুন। জিডির কপি সংরক্ষণ করুন। অনলাইনে হারানো পাসপোর্টের রিপোর্ট দিন। নতুন পাসপোর্টের আবেদন করুন। হারানো পাসপোর্টের ফি বেশি। দ্বিগুণ টাকা দিতে হতে পারে। পুলিশ ভেরিফিকেশন সময় বেশি লাগবে।
হারানো পাসপোর্ট পুনরুদ্ধারের ধাপ:
- থানায় জিডি করা
- অনলাইনে রিপোর্ট দেওয়া
- নতুন আবেদন করা
- অতিরিক্ত ফি প্রদান
- পুলিশ ভেরিফিকেশন
- নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহ
জরুরি ১০ বছরের ই-পাসপোর্ট প্রাপ্তি
জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত পাসপোর্ট পাওয়া যায়। অতিরিক্ত ফি দিতে হবে। সাত দিনে পাসপোর্ট পেতে পারেন। খুব জরুরি হলে দুই দিনেও পাওয়া যায়। জরুরি কারণ প্রমাণ করতে হবে। ভিসা, টিকিট দেখাতে পারেন। জরুরি সেবায় সব কাগজ ঠিক থাকতে হবে। কোনো ভুল থাকলে দেরি হবে।
| জরুরি সেবা | ফি | সময় |
| এক্সপ্রেস | ৭,৫০০ টাকা | ৭ দিন |
| সুপার এক্সপ্রেস | ১০,০০০ টাকা | ২ দিন |
| একদিন | ১৫,০০০ টাকা | ২৪ ঘণ্টা |
বিদেশ ভ্রমণের জন্য ১০ বছরের ই-পাসপোর্ট
বিদেশ ভ্রমণের জন্য ই-পাসপোর্ট আবশ্যক। পাসপোর্টে কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদ থাকতে হবে। খালি পাতা পর্যাপ্ত রাখুন। ভিসা সংগ্রহের আগে পাসপোর্ট প্রস্তুত রাখুন। কিছু দেশে নির্দিষ্ট পাতার সংখ্যা লাগে। পাসপোর্টের ফটোকপি সাথে রাখুন। স্ক্যান কপি ইমেইলে সেভ করুন।
১০ বছরের ই-পাসপোর্ট ঠিকানা পরিবর্তন
ঠিকানা পরিবর্তন করতে হলে নতুন আবেদন করুন। বর্তমান ঠিকানার প্রমাণপত্র দিন। ইউটিলিটি বিল, ভাড়া চুক্তি দেওয়া যায়। পুরানো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। নতুন পাসপোর্টে সংশোধিত ঠিকানা থাকবে। প্রক্রিয়া সাধারণ আবেদনের মতোই। অতিরিক্ত কোনো ফি লাগে না।
ঠিকানা পরিবর্তনের প্রমাণপত্র:
- ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ/গ্যাস)
- বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্র
- ওয়ার্ড কমিশনারের সনদ
- স্থানীয় সরকারের প্রত্যয়নপত্র
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট
- চাকরির সনদ
ডিপ্লোম্যাটিক ১০ বছরের ই-পাসপোর্ট নিয়ম
কূটনৈতিক পাসপোর্ট বিশেষ পদের জন্য। সরকারি কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়। মন্ত্রী, এমপি, বিচারক পান। রাষ্ট্রদূত ও কনসালরা পান। ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট লাল রঙের। এতে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়। অনেক দেশে ভিসা ফ্রি ভ্রমণ। বিমানবন্দরে দ্রুত ইমিগ্রেশন। মেয়াদ পাঁচ বছর।
১০ বছরের ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক
আবেদনের পর স্ট্যাটাস চেক করুন। অনলাইনে স্ট্যাটাস দেখা যায়। আবেদন নম্বর দিয়ে খোঁজ করুন। এসএমএসে আপডেট পাবেন। প্রতিটি ধাপের তথ্য পাবেন। পাসপোর্ট তৈরি হলে জানানো হবে। সংগ্রহের জন্য এসএমএস পাবেন। নির্ধারিত সময়ে সংগ্রহ করুন।
| স্ট্যাটাস | অর্থ | পরবর্তী ধাপ |
| Submitted | আবেদন জমা হয়েছে | অপেক্ষা করুন |
| Under Process | প্রক্রিয়াধীন | কিছুই করার নেই |
| Ready for Print | প্রিন্ট করার জন্য প্রস্তুত | শীঘ্রই পাবেন |
| Ready for Delivery | সংগ্রহের জন্য প্রস্তুত | অফিসে যান |
e-Passport 10 year guide Bangladesh
ইংরেজি ভাষীদের জন্য ই-পাসপোর্ট গাইড আছে। সরকারি ওয়েবসাইটে ইংরেজি ভার্সন পাবেন। বিদেশিরা একই নিয়মে আবেদন করতে পারেন। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও উপকৃত হবেন। দূতাবাসেও আবেদন করা যায়। অনলাইন সিস্টেম সারাবিশ্বে কাজ করে। ইংরেজি ফর্মে আবেদন দিন।
বাংলাদেশ ১০ বছর মেয়াদি e-passport tips
কিছু টিপস মেনে চললে সহজ হবে। সব কাগজ আগে থেকে প্রস্তুত রাখুন। ভালো ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করুন। ফর্ম পূরণে ভুল এড়িয়ে চলুন। ছবি তোলার আগে নিয়ম জেনে নিন। পেমেন্ট করার আগে চেক করুন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ ভুলবেন না। সব রিসিট সংরক্ষণ করুন।
গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
- সব তথ্য ইংরেজিতে লিখুন
- নাম জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী
- মোবাইল নম্বর সক্রিয় রাখুন
- ইমেইল নিয়মিত চেক করুন
- প্রয়োজনীয় কাগজ প্রস্তুত রাখুন
- সময়ের আগে অফিসে যান
নতুন ১০ বছরের ই-পাসপোর্ট আবেদন নির্দেশিকা
নতুন আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা আছে। প্রথমে অনলাইনে রেজিস্টার করুন। ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করুন। লগইন করে আবেদন শুরু করুন। ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে দিন। পরিবারের তথ্য যুক্ত করুন। শিক্ষা ও পেশার বিবরণ লিখুন। জরুরি যোগাযোগের তথ্য দিন।
১০ বছরের ই-পাসপোর্ট আবেদন সময়সীমা
সাধারণ আবেদনে ২১ কার্যদিবস সময় লাগে। জরুরি সেবায় ৭ দিন। সুপার এক্সপ্রেস ২ দিন। একদিনের সেবাও আছে। ছুটির দিন গণনা করা হয় না। সরকারি ছুটিতে কাজ বন্ধ থাকে। আগাম আবেদন করা ভালো। ভিসার আগে পাসপোর্ট প্রস্তুত রাখুন।
| সেবার ধরন | সময় | অতিরিক্ত ফি |
| নিয়মিত | ২১ দিন | কোনো ফি নেই |
| জরুরি | ৭ দিন | ৪,০০০ টাকা |
| অতি জরুরি | ২ দিন | ৬,৫০০ টাকা |
| একদিন | ২৪ ঘণ্টা | ১১,৫০০ টাকা |
শিশুদের ১০ বছরের ই-পাসপোর্ট

১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট হয়। শিশুর জন্ম সনদ অবশ্যই লাগবে। পিতা-মাতার এনআইডি কপি দিতে হবে। শিশু নিজে উপস্থিত থাকতে হবে। ছোট বাচ্চাদের ছবি তোলা কঠিন হতে পারে। ধৈর্য নিয়ে ছবি তুলুন। শিশুর বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ:
- অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ
- পিতা-মাতার এনআইডি কার্ড
- পিতা-মাতার পাসপোর্ট কপি
- স্কুল সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
- অভিভাবকের চাকরির সনদ
- পারিবারিক ছবি
১০ বছরের ই-পাসপোর্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র লাগবে। জন্ম নিবন্ধন সনদ অবশ্যই চাই। জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দিন। এসএসসি সার্টিফিকেটও লাগবে। চাকরির প্রমাণপত্র রাখুন। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কখনো লাগে। ব্যাংক স্টেটমেন্টও কাজে দেয়। সব কাগজের ফটোকপি রাখুন।
প্রয়োজনীয় কাগজের তালিকা:
- জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদ
- এসএসসি সার্টিফিকেট বা সমমান
- পিতা-মাতার এনআইডি কপি
- চাকরির সনদ/ব্যবসার লাইসেন্স
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- অনলাইন আবেদনপত্র
১০ বছরের ই-পাসপোর্ট প্রক্রিয়া সহজভাবে
পুরো প্রক্রিয়াটা খুবই সহজ। প্রথমে অনলাইনে আবেদন করুন। তারপর পেমেন্ট সম্পন্ন করুন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে অফিসে যান। বায়োমেট্রিক তথ্য দিন। সব কাগজ জমা দিন। তারপর শুধু অপেক্ষা করুন। নির্দিষ্ট সময়ে পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন।
প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য কিছু টিপস মানুন। সব কাগজ এক সাথে রাখুন। ইন্টারনেট কানেকশন ভালো রাখুন। ফর্ম পূরণে ধীরে ধীরে করুন। ছবি তোলার আগে নিয়ম পড়ুন। সময়ের আগে অফিসে পৌঁছান। রিসিট সব সংরক্ষণ করুন।
উপসংহার
১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম এখন আপনার জানা হয়ে গেছে। সঠিক প্রক্রিয়া মেনে চললে সহজেই পাসপোর্ট পাবেন। অনলাইনে আবেদন করা সবচেয়ে সুবিধাজনক। সব কাগজপত্র আগে থেকে প্রস্তুত রাখুন। নির্ধারিত সময়ে অফিসে যান।
১০ বছরের মেয়াদের কারণে বার বার নবায়ন করতে হবে না। এতে সময় ও টাকা দুটোই বাঁচবে। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে ই-পাসপোর্ট নিরাপদ। বিদেশ ভ্রমণে কোনো সমস্যা হবে না। তাই আজই আবেদন করুন এবং ভ্রমণের জন্য প্রস্তুত হন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী(FAQs)
১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট কী?
১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট হলো বাংলাদেশের নতুন প্রযুক্তিসম্পন্ন পাসপোর্ট যা ১০ বছর বৈধতা রয়েছে এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সহ তৈরি করা হয়েছে।
কারা ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন?
১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকরা ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বয়সের উপর ভিত্তি করে পাসপোর্ট ৫ বা ১০ বছরের জন্য বৈধ হয়।
ই-পাসপোর্টের জন্য কোথায় আবেদন করতে হবে?
ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে এবং নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করাতে হবে।
১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের ফি কত?
১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের জন্য দেশের ভিতরে সাধারণ ডেলিভারির জন্য ৫,০০০ টাকা এবং জরুরি ডেলিভারির জন্য ১০,০০০ টাকা ফি প্রয়োজন।
ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন?
ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, ছবি এবং অনলাইন আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি।
ই-পাসপোর্ট আবেদনে কি ভেরিফিকেশন লাগে?
ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন নেই ই পাসপোর্ট ফি কত ২০২৫ । ১০ বছর মেয়াদি ই পাসপোর্ট করতে ভেরিফিকেশন লাগবে না। তবে সকল কাগজপত্র অবশ্যই মূল এবং সঠিক হতে হবে।
বায়োমেট্রিক তথ্য কী এবং কেন দিতে হয়?
বায়োমেট্রিক তথ্য হলো আঙুলের ছাপ, ছবি এবং চোখের রেটিনার স্ক্যান। এটি পাসপোর্টের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং জাল পাসপোর্ট প্রতিরোধের জন্য সংগ্রহ করা হয়।
কত দিনের মধ্যে ই-পাসপোর্ট পাওয়া যায়?
সাধারণ ডেলিভারিতে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে এবং এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ই-পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে কীভাবে নতুন ই-পাসপোর্ট করবেন?
পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে রি-ইস্যু (Re-issue) অপশন বেছে নিয়ে আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে পুরাতন পাসপোর্টের কপি এবং মূল পাসপোর্ট নিয়ে যেতে হবে।
২০২৫ সালে MRP (পুরাতন পাসপোর্ট) বন্ধ হয়ে যাবে?
বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে MRP (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং কেবল ই-পাসপোর্ট সেবা চালু থাকবে। তাই সবাইকে ই-পাসপোর্টে রূপান্তর করতে হবে।
🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 📲






