আপনি কি একজন গেমার? তাহলে আপনার জন্য সঠিক গেমিং এক্সেসরিজ খুবই জরুরি। ভালো মানের এক্সেসরিজ আপনার গেমিং অভিজ্ঞতা অনেক বেশি উন্নত করে। বাংলাদেশে এখন অনেক ধরনের গেমিং এক্সেসরিজ পাওয়া যায়। কিন্তু কোনটা কিনবেন? কোনটার দাম কত? এই লেখায় আমরা সব প্রশ্নের উত্তর দেব।
গেমিং শুধু একটা শখ নয়, এটা এখন একটা প্যাশন। মোবাইল গেম হোক বা পিসি গেম, সবার জন্যই দরকার ভালো এক্সেসরিজ। আজকাল ফ্রি ফায়ার, পাবজি, ভ্যালোরেন্ট এসব গেম খুব জনপ্রিয়। এসব গেমে ভালো পারফরম্যান্স দিতে চাইলে আপনাকে সঠিক গ্যাজেট বেছে নিতে হবে। আর আমরা এখানে সেই কাজটাই সহজ করে দেব।
২০২৫ সালে বাংলাদেশে গেমিং এক্সেসরিজের বাজার অনেক বড় হয়েছে। নতুন নতুন ব্র্যান্ড এসেছে। দাম কমেছে অনেক পণ্যের। এখন আপনি কম বাজেটেও ভালো মানের এক্সেসরিজ পেতে পারেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আমাদের বিস্তারিত গাইড।
গেমিং এক্সেসরিজ price in Bangladesh

বাংলাদেশে গেমিং এক্সেসরিজের দাম নির্ভর করে ব্র্যান্ড এবং কোয়ালিটির উপর। সাধারণত একটা ভালো গেমিং মাউস পাওয়া যায় ৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যে। কিবোর্ডের দাম শুরু হয় ৮০০ টাকা থেকে। আর হাই-এন্ড কিবোর্ড পাবেন ১৫০০০ টাকা পর্যন্ত। হেডসেটের জন্য খরচ হতে পারে ৬০০ থেকে ১২০০০ টাকা।
মোবাইল গেমিংয়ের জন্য ফিঙ্গার স্লিভ পাবেন মাত্র ৫০ টাকা থেকে। ট্রিগার কিনতে পারবেন ২০০ থেকে ২৫০০ টাকায়। গেমিং চেয়ারের দাম একটু বেশি, ১৫০০০ থেকে ৫০০০০ টাকার মধ্যে। মাউস পেডের দাম খুবই কম, ১৫০ টাকা থেকে শুরু। এসব দাম বিভিন্ন দোকান এবং অনলাইন শপে আলাদা হতে পারে।
বাজেট ফ্রেন্ডলি এক্সেসরিজও এখন ভালো মানের পাওয়া যায়। লোকাল ব্র্যান্ডগুলো দামে সাশ্রয়ী কিন্তু মান মোটামুটি ভালো। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড যেমন রেজার, লজিটেক, কর্সেয়ার এগুলোর দাম বেশি। কিন্তু পারফরম্যান্স এবং টেকসই হওয়ার দিক থেকে এরা এগিয়ে। আপনার বাজেট অনুযায়ী বেছে নিতে পারবেন।
অনলাইনে কিনলে মাঝে মাঝে অফার পাবেন। দারাজ, ফেসবুক শপ বা বিভিন্ন গেমিং স্টোরে ডিসকাউন্ট থাকে। নিয়মিত চেক করলে ভালো ডিল পাওয়া সম্ভব। তবে পণ্য কেনার আগে রিভিউ পড়ুন। অন্যদের মতামত জানুন। এতে ভুল কেনাকাটা এড়ানো যায়।
গেমিং এক্সেসরিজ দামের তালিকা ২০২৫
২০২৫ সালে বাংলাদেশে গেমিং এক্সেসরিজের দাম তালিকা জানা খুব দরকার। বাজারে এখন অনেক পছন্দের সুযোগ আছে। আপনি চাইলে কম দামেও ভালো জিনিস পেতে পারেন। আবার একটু বেশি খরচ করলে প্রিমিয়াম মান পাবেন।
মাউসের দাম সাধারণত ৫০০ টাকা থেকে শুরু। মিড-রেঞ্জ মাউস পাবেন ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। প্রিমিয়াম গেমিং মাউস দাম ৫০০০ টাকার উপরে। কিবোর্ডের জন্য বাজেট রাখুন ৮০০ থেকে ১৫০০০ টাকা। মেকানিকাল কিবোর্ড একটু দামি কিন্তু ব্যবহার করে মজা লাগে।
হেডসেট কিনতে চাইলে ৬০০ টাকা থেকে শুরু করতে পারেন। ওয়্যারলেস হেডসেট দাম ২৫০০ টাকার উপরে। সাউন্ড কোয়ালিটি ভালো চাইলে ৫০০০ থেকে ১০০০০ টাকা খরচ করতে হবে। গেমিং চেয়ার একটা বড় ইনভেস্টমেন্ট, ১৫০০০ থেকে ৫০০০০ টাকা। কিন্তু আরাম এবং স্বাস্থ্যের জন্য এটা জরুরি।
- মোবাইল গেমিং এক্সেসরিজ যেমন ফিঙ্গার স্লিভ পাবেন ৫০ থেকে ৫০০ টাকায়
- গেমিং ট্রিগার দাম ২০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়
- মাউস পেড কিনতে পারবেন মাত্র ১৫০ থেকে ২০০০ টাকায়
- কন্ট্রোলারের দাম ১৫০০ থেকে ৮০০০ টাকা পর্যন্ত
এই দামগুলো একটা গাইড মাত্র। বিভিন্ন দোকানে দাম আলাদা হতে পারে। অনলাইন কিনলে কখনো কখনো কম দামে পাওয়া যায়। তবে সবসময় অথেন্টিক প্রোডাক্ট কিনুন। নকল পণ্য এড়িয়ে চলুন। ভালো ওয়ারেন্টি আছে কিনা দেখুন।
Best গেমিং এক্সেসরিজ bd
বাংলাদেশে সেরা গেমিং এক্সেসরিজ খুঁজছেন? আপনার জন্য আছে অনেক অপশন। লজিটেক জি প্রো একটা দুর্দান্ত মাউস। রেজার ডেথঅ্যাডার ভি৩ ও খুব জনপ্রিয়। এসব মাউস প্রিসিশন এবং স্পিডে চমৎকার। দাম একটু বেশি কিন্তু পারফরম্যান্স গ্যারান্টি।
কিবোর্ডের ক্ষেত্রে কর্সেয়ার কে৭০ খুব ভালো। হাইপারএক্স অ্যালয় অরিজিন্স কোর আরেকটা সেরা চয়েস। মেকানিকাল সুইচ ব্যবহার করা হয় এসবে। টাইপিং ফিল দারুণ। গেমিংয়ে রেসপন্স টাইম অনেক কম। RGB লাইটিং থাকে যা দেখতে সুন্দর।
হেডসেটের মধ্যে হাইপারএক্স ক্লাউড আলফা জনপ্রিয়। স্টিলসিরিজ আর্কটিস ৫ ও ভালো। সাউন্ড কোয়ালিটি এসবের দুর্দান্ত। মাইক্রোফোন ক্লিয়ার। দীর্ঘ সময় ব্যবহারে কোনো সমস্যা হয় না। আরাম পাবেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা গেম খেলতে।
মোবাইল গেমারদের জন্য স্পিনবট ট্রিগার সেরা। ক্লকস ফিঙ্গার স্লিভ খুবই জনপ্রিয়। এগুলো দিয়ে মোবাইল গেমে পারফরম্যান্স বাড়ে। হাত ঘামলে সমস্যা হয় না। স্লাইড করা সহজ হয়। দাম কম কিন্তু উপকারিতা অনেক।
গেমিং চেয়ারের মধ্যে ফ্যান্টেক এবং আরক জনপ্রিয়। ভালো লাম্বার সাপোর্ট থাকে। আরাম পাবেন দীর্ঘ সময় বসে। পসচার ঠিক থাকে। পিঠের ব্যথা কমে। দাম একটু বেশি কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
Mobile গেমিং এক্সেসরিজ দাম bd
মোবাইল গেমিং এখন বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। পাবজি, ফ্রি ফায়ার, সিওডি মোবাইল এসব গেম সবাই খেলে। এসব গেমে ভালো করতে চাইলে এক্সেসরিজ দরকার। ভালো খবর হলো মোবাইল গেমিং এক্সেসরিজ খুব সাশ্রয়ী।
ফিঙ্গার স্লিভের দাম মাত্র ৫০ থেকে ৫০০ টাকা। এগুলো হাতের আঙুলে পরতে হয়। স্ক্রিনে সহজে স্লাইড করা যায়। ঘাম সমস্যা হয় না। আঙুল আটকে যায় না। এক জোড়া স্লিভ যথেষ্ট। বিভিন্ন রঙ এবং ডিজাইন পাওয়া যায়।
গেমিং ট্রিগারের দাম ২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। বেসিক ট্রিগার ২০০ থেকে ৫০০ টাকায়। মিড-রেঞ্জ ট্রিগার ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা। প্রিমিয়াম ট্রিগার যেমন স্পিনবট ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা। এগুলো ফোনের পেছনে লাগানো হয়। শুটিং কন্ট্রোল ভালো হয়।
- মোবাইল গেমিং কুলার পাবেন ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকায়
- মোবাইল হোল্ডার বা গ্রিপ দাম ২৫০ থেকে ১০০০ টাকা
- পাওয়ার বাটন এক্সটেন্ডার কিনতে পারবেন ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায়
- গেমপ্যাড ধরনের কন্ট্রোলার দাম ৭০০ থেকে ৩৫০০ টাকা
মোবাইল গেমিং ইয়ারফোন এখন খুব চাহিদা আছে। কম লেটেন্সি ইয়ারফোন দাম ৮০০ থেকে ৪০০০ টাকা। ভালো মাইক্রোফোন থাকে। টিম কমিউনিকেশন ভালো হয়। সাউন্ড কোয়ালিটি চমৎকার। গেমিংয়ের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। ব্যাটারি লাইফ লম্বা। এসব সুবিধা পাবেন।
মোবাইল গেমারদের জন্য আরেকটা জরুরি জিনিস হলো টাচ স্ক্রিন কন্ডাক্টিভ গ্লাভস। দাম ৩০০ থেকে ১০০০ টাকা। শীতকালে খুব উপকারী। হাত ঠান্ডা থাকলেও গেম খেলা যায়। স্ক্রিন রেসপন্স ভালো হয়। আরাম পাবেন গেম খেলতে।
Gaming finger sleeve দাম বাংলাদেশে
গেমিং ফিঙ্গার স্লিভ মোবাইল গেমারদের জন্য খুবই দরকারি একটা এক্সেসরিজ। বাংলাদেশে এর চাহিদা অনেক বেড়েছে। দাম খুবই কম তাই সবাই কিনতে পারে। মাত্র ৫০ টাকা থেকে শুরু। ভালো মানের স্লিভ পাবেন ২০০ থেকে ৫০০ টাকায়।
ফিঙ্গার স্লিভ সাধারণত জোড়ায় বিক্রি হয়। দুটো আঙুলের জন্য দুটো স্লিভ। কিছু প্যাকেজে ৪টা বা ৬টা পর্যন্ত পাবেন। ম্যাটেরিয়াল হয় সিলভার ফাইবার, কার্বন ফাইবার বা নাইলন। যেকোনো ম্যাটেরিয়াল ভালো কাজ করে। তবে সিলভার ফাইবার একটু বেশি টেকসই।
কেন ফিঙ্গার স্লিভ দরকার? মোবাইল গেমে দ্রুত সোয়াইপ করতে হয়। হাত ঘামলে আঙুল আটকে যায়। স্লিভ পরলে স্মুথ স্লাইড হয়। রেসপন্স টাইম কমে। এইম ভালো হয়। শুটিং এবং মুভমেন্ট নিখুঁত হয়। সিরিয়াস গেমারদের জন্য মাস্ট হ্যাভ।
বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফিঙ্গার স্লিভ পাওয়া যায়। ক্লকস, বেলি, ফ্লাইডিগি এসব জনপ্রিয়। দারাজে পাবেন অনেক অপশন। ফেসবুক শপেও পাওয়া যায়। অনলাইনে কিনলে ডেলিভারি পাবেন দ্রুত। দোকানেও পাবেন গেমিং জোনে।
স্লিভ কেনার সময় সাইজ দেখুন। বেশি ঢিলা হলে খসে যাবে। বেশি টাইট হলে আরাম পাবেন না। একবার ব্যবহার করে দেখুন। ভালো লাগলে কিনুন। বেশিরভাগ দোকানে ট্রাই করার সুযোগ থাকে। এক জোড়া দিয়ে ১-২ মাস চলে। তাই নিয়মিত বদলাতে হয়।
গেমিং trigger price bd
গেমিং ট্রিগার মোবাইল গেমারদের কাছে খুব জনপ্রিয়। বিশেষ করে শুটিং গেমে এর ব্যবহার বেশি। পাবজি এবং ফ্রি ফায়ার খেলোয়াড়রা ট্রিগার অনেক ব্যবহার করে। বাংলাদেশে এর দাম ২০০ টাকা থেকে শুরু। প্রিমিয়াম ট্রিগার দাম ২৫০০ টাকা পর্যন্ত।
বেসিক ট্রিগার পাবেন ২০০ থেকে ৫০০ টাকায়। এগুলো সাধারণ প্লাস্টিকের। কাজ করে ভালো কিন্তু টেকসই কম। মিড-রেঞ্জ ট্রিগার দাম ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা। ভালো বিল্ড কোয়ালিটি থাকে। বেশি দিন চলে। প্রিমিয়াম ট্রিগার যেমন স্পিনবট, মেমো, ফ্লাইডিগি দাম ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা।
ট্রিগার কীভাবে কাজ করে? এগুলো ফোনের উপরের অংশে লাগাতে হয়। শুটিং বাটনের উপর থাকে ট্রিগারের প্রেস পয়েন্ট। আপনি ট্রিগার চাপলে স্ক্রিনে প্রেস হয়। এতে শুটিং দ্রুত এবং নিখুঁত হয়। চার আঙুল দিয়ে খেলা সম্ভব। কন্ট্রোল বেশি পাবেন।
- বেসিক ট্রিগার সাধারণ গেমারদের জন্য ঠিক আছে
- মিড-রেঞ্জ ট্রিগার রেগুলার প্লেয়ারদের জন্য ভালো
- প্রিমিয়াম ট্রিগার প্রো এবং ই-স্পোর্টস প্লেয়ারদের জরুরি
- কিছু ট্রিগারে কুলিং ফ্যান থাকে যা ফোন ঠান্ডা রাখে
স্পিনবট ট্রিগার খুবই জনপ্রিয়। এর দাম ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। বিল্ট-ইন কুলিং ফ্যান আছে। ব্যাটারি চার্জ হয়। অনেক দিন চলে। বেশিরভাগ ফোনের সাথে ফিট হয়। প্রফেশনাল গেমাররা এটা ব্যবহার করে। পারফরম্যান্স দুর্দান্ত।
ট্রিগার কেনার সময় ফোনের সাইজ মাপুন। সব ট্রিগার সব ফোনে ফিট হয় না। রিভিউ পড়ুন কেনার আগে। কোয়ালিটি চেক করুন। রিটার্ন পলিসি আছে কিনা জানুন। ওয়ারেন্টি আছে কিনা দেখুন। এসব জিনিস মাথায় রাখুন।
PC গেমিং এক্সেসরিজ price list
পিসি গেমিং একটা আলাদা লেভেলের অভিজ্ঞতা। ভালো মানের এক্সেসরিজ ছাড়া সম্পূর্ণ মজা পাওয়া যায় না। বাংলাদেশে পিসি গেমিং এক্সেসরিজের দাম বিভিন্ন রেঞ্জের। বাজেট থেকে প্রিমিয়াম সব ধরনের পাবেন।
গেমিং মাউস দাম শুরু ৫০০ টাকা থেকে। বাজেট মাউস ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা। মিড-রেঞ্জ মাউস ৩০০০ থেকে ৬০০০ টাকা। প্রিমিয়াম মাউস যেমন লজিটেক, রেজার ৮০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা। DPI রেঞ্জ দেখে কিনুন। ১৬০০০ DPI বা তার বেশি ভালো।
কিবোর্ডের দাম ৮০০ টাকা থেকে। মেমব্রেন কিবোর্ড ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা। মেকানিকাল কিবোর্ড দাম ৪০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা। RGB লাইটিং যুক্ত কিবোর্ড একটু দামি। মেকানিকাল সুইচ বেশি টেকসই। গেমিংয়ের জন্য চমৎকার। ব্লু, রেড, ব্রাউন সুইচ জনপ্রিয়।
| পণ্যের নাম | মূল্য পরিসীমা | বৈশিষ্ট্য |
| বাজেট মাউস | ৫০০-২০০০ টাকা | বেসিক DPI, ওয়্যারড |
| মিড-রেঞ্জ মাউস | ৩০০০-৬০০০ টাকা | উচ্চ DPI, RGB লাইট |
| প্রিমিয়াম মাউস | ৮০০০-১৫০০০ টাকা | ওয়্যারলেস, প্রোগ্রামেবল বাটন |
| মেকানিকাল কিবোর্ড | ৪০০০-১৫০০০ টাকা | টেকসই সুইচ, RGB |
মাউস পেড দাম ১৫০ থেকে ২০০০ টাকা। বেসিক পেড ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা। আরজিবি পেড ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা। বড় সাইজ পেড ভালো। এক্সটেন্ডেড পেড টেবিল পুরো ঢেকে ফেলে। মাউস এবং কিবোর্ড দুটোই রাখা যায়। স্মুথ সারফেস প্রিসিশন বাড়ায়।
হেডসেট খুবই জরুরি। ৬০০ টাকা থেকে পাওয়া যায়। মিড-রেঞ্জ হেডসেট ২৫০০ থেকে ৬০০০ টাকা। প্রিমিয়াম হেডসেট যেমন হাইপারএক্স, স্টিলসিরিজ ৮০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা। ৭.১ সারাউন্ড সাউন্ড ভালো। শব্দ ক্লিয়ার শুনবেন। শত্রুর পদধ্বনি বুঝতে পারবেন।
মনিটরও গেমিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ১৪৪Hz রিফ্রেশ রেট মনিটর দাম ১৮০০০ থেকে ৪০০০০ টাকা। ২৪০Hz মনিটর আরও দামি। স্মুথ গেমপ্লে পাবেন। ল্যাগ এবং স্টাটার থাকবে না। প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ের জন্য জরুরি।
গেমিং keyboard এবং mouse bd
গেমিং কিবোর্ড এবং মাউস একসাথে কিনলে সেট অফার পাওয়া যায়। বাংলাদেশে অনেক ব্র্যান্ড কম্বো প্যাকেজ দেয়। দাম একটু কম পড়ে। সাধারণত ১৫০০ টাকা থেকে কম্বো শুরু। প্রিমিয়াম কম্বো দাম ২০০০০ টাকা পর্যন্ত।
বেসিক কম্বো পাবেন ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। মেমব্রেন কিবোর্ড এবং অপটিকাল মাউস থাকে। বিগিনারদের জন্য ভালো। কাজ করে ঠিকমতো। তবে প্রফেশনাল ইউজের জন্য যথেষ্ট নয়। দৈনন্দিন গেমিং চলবে।
মিড-রেঞ্জ কম্বো দাম ৫০০০ থেকে ১০০০০ টাকা। মেকানিকাল কিবোর্ড এবং উচ্চ DPI মাউস পাবেন। RGB লাইটিং থাকে দুটোতেই। সিংক্রোনাইজ লাইট ইফেক্ট দেখতে সুন্দর। পারফরম্যান্স অনেক ভালো। রেগুলার গেমারদের জন্য পারফেক্ট।
- কম্বো কিনলে আলাদা আলাদা কেনার চেয়ে সাশ্রয়ী হয়
- একই ব্র্যান্ডের কিবোর্ড এবং মাউস ম্যাচিং দেখায়
- RGB সিংক্রোনাইজেশন সুবিধা পাবেন কম্বোতে
- ওয়ারেন্টি একসাথে পাবেন দুটো পণ্যের
প্রিমিয়াম কম্বো দাম ১২০০০ থেকে ২০০০০ টাকা। লজিটেক, রেজার, কর্সেয়ার এসব ব্র্যান্ড অফার করে। ওয়ারলেস অপশন থাকে। ব্যাটারি লাইফ লম্বা। প্রোগ্রামেবল ম্যাক্রো ফিচার পাবেন। প্রফেশনাল এবং ই-স্পোর্টস গেমারদের জন্য আদর্শ।
কিবোর্ডের সুইচ টাইপ দেখে কিনুন। ব্লু সুইচ ক্লিকি সাউন্ড করে। রেড সুইচ সাইলেন্ট এবং স্মুথ। ব্রাউন সুইচ মাঝামাঝি। গেমিংয়ের জন্য রেড বা ব্রাউন ভালো। মাউসের DPI যত বেশি তত ভালো। ১৬০০০ DPI বা তার উপরে নিন।
RGB গেমিং এক্সেসরিজ সেট
আরজিবি লাইটিং এখন গেমিং সেটআপের একটা বড় অংশ। দেখতে অসাধারণ লাগে। বাংলাদেশে আরজিবি গেমিং এক্সেসরিজ সেট খুব চাহিদা আছে। পুরো সেটআপ কালারফুল হয়। রুম লাইটআপ হয়ে যায়। মুড ভালো থাকে গেম খেলতে।
আরজিবি কিবোর্ড দাম ২০০০ টাকা থেকে শুরু। মেকানিকাল আরজিবি কিবোর্ড ৫০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা। ১৬.৮ মিলিয়ন কালার সাপোর্ট করে। কাস্টম কালার সেট করা যায়। প্রতি কী আলাদা কালার দিতে পারবেন। ইফেক্ট অনেক ধরনের।
আরজিবি মাউস দাম ১০০০ থেকে ১০০০০ টাকা। মাউস হুইল এবং লোগো লাইটআপ হয়। সাইডও ঝকঝক করে। ব্রিদিং, ওয়েভ, রেইনবো ইফেক্ট পাবেন। সফটওয়্যার দিয়ে কন্ট্রোল করা যায়। DPI ইন্ডিকেটর লাইটও থাকে।
আরজিবি মাউস পেড খুবই জনপ্রিয়। দাম ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা। পেডের চারপাশে LED স্ট্রিপ থাকে। বিভিন্ন কালার চেঞ্জ হয়। ইউএসবি পাওয়ার দিয়ে চালাতে হয়। কিছু মডেলে ওয়ারলেস চার্জিং ফিচার থাকে। ফোন চার্জ করতে পারবেন পেডের উপর রেখে।
| আরজিবি পণ্য | মূল্য | বৈশিষ্ট্য |
| RGB কিবোর্ড | ২০০০-১৫০০০ টাকা | কাস্টমাইজেবল লাইট, মাল্টিপল ইফেক্ট |
| RGB মাউস | ১০০০-১০০০০ টাকা | সিংক্রোনাইজড লাইটিং |
| RGB মাউস পেড | ৮০০-২৫০০ টাকা | এজ লাইটিং, USB পাওয়ারড |
| RGB হেডসেট স্ট্যান্ড | ১৫০০-৪০০০ টাকা | ডিসপ্লে এবং চার্জিং |
আরজিবি হেডসেট স্ট্যান্ড একটা দারুণ এক্সেসরিজ। দাম ১৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা। হেডসেট ঝুলিয়ে রাখতে পারবেন। স্ট্যান্ডে আরজিবি লাইট থাকে। ইউএসবি হাব থাকে চার্জিংয়ের জন্য। অডিও জ্যাক থাকে কিছু মডেলে। সেটআপ অরগানাইজড থাকে।
কমপ্লিট আরজিবি সেট কিনতে চাইলে ১৫০০০ থেকে ৫০০০০ টাকা বাজেট রাখুন। কিবোর্ড, মাউস, মাউসপেড, হেডসেট, স্ট্যান্ড সব মিলিয়ে। একই ব্র্যান্ডের নিলে সিংক্রোনাইজেশন ভালো হয়। সফটওয়্যার দিয়ে সবকিছু কন্ট্রোল করা যায়। একসাথে কালার চেঞ্জ হয়।
গেমিং headset price in bd
গেমিং হেডসেট ছাড়া পিসি বা কনসোল গেমিং অসম্পূর্ণ। ভালো সাউন্ড কোয়ালিটি গেমিং এক্সপেরিয়েন্স বদলে দেয়। বাংলাদেশে গেমিং হেডসেট দাম ৬০০ টাকা থেকে শুরু। সবার বাজেটের জন্য অপশন আছে।
বাজেট হেডসেট পাবেন ৬০০ থেকে ২০০০ টাকায়। স্টেরিও সাউন্ড থাকে। মাইক্রোফোন কোয়ালিটি মোটামুটি। দৈনন্দিন গেমিংয়ের জন্য চলবে। কমফোর্ট লেভেল ভালো। তবে দীর্ঘ সময় পরলে কান ব্যথা হতে পারে। সাউন্ড আইসোলেশন কম।
মিড-রেঞ্জ হেডসেট দাম ২৫০০ থেকে ৬০০০ টাকা। ভালো সাউন্ড কোয়ালিটি পাবেন। ৭.১ ভার্চুয়াল সারাউন্ড সাউন্ড থাকে। পজিশনাল অডিও ভালো। শত্রুর লোকেশন বুঝতে পারবেন। মাইক্রোফোন নয়েজ ক্যান্সেলিং থাকে। টিম কমিউনিকেশন ক্লিয়ার হয়।
- ওয়্যারড হেডসেট দাম কম কিন্তু কেবল ঝামেলা
- ওয়্যারলেস হেডসেট সুবিধাজনক তবে দাম বেশি পড়ে
- ব্যাটারি লাইফ দেখে ওয়্যারলেস হেডসেট কিনুন
- ইউএসবি সাউন্ড কার্ড যুক্ত হেডসেট সাউন্ড ভালো দেয়
প্রিমিয়াম হেডসেট দাম ৮০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা। হাইপারএক্স, স্টিলসিরিজ, রেজার এসব ব্র্যান্ডের। সাউন্ড কোয়ালিটি অসাধারণ। বেস পাওয়ারফুল। ট্রেবল ক্লিয়ার। কমফোর্ট লেভেল চমৎকার। মেমোরি ফোম ইয়ার প্যাড থাকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরে থাকতে পারবেন।
ওয়্যারলেস হেডসেট একটু দামি। ৩৫০০ টাকা থেকে শুরু। ভালো ওয়্যারলেস হেডসেট ৬০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা। ব্লুটুথ বা ২.৪GHz ওয়্যারলেস হয়। লেটেন্সি কম। ব্যাটারি লাইফ ২০ থেকে ৩০ ঘণ্টা। চার্জিং ফাস্ট। কেবলের ঝামেলা নেই।
গেমিং chair দাম বাংলাদেশে
গেমিং চেয়ার একটা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ। দীর্ঘ সময় বসে গেম খেললে পিঠ ব্যথা হয়। সাধারণ চেয়ারে আরাম পাবেন না। গেমিং চেয়ার এরগোনমিক ডিজাইন করা। স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। বাংলাদেশে গেমিং চেয়ার দাম ১৫০০০ থেকে ৫০০০০ টাকা।
বাজেট গেমিং চেয়ার দাম ১৫০০০ থেকে ২৫০০০ টাকা। বেসিক ফিচার থাকে। লাম্বার সাপোর্ট আছে। হেডরেস্ট পিলো পাবেন। রিক্লাইনিং ফিচার থাকে। ১৩৫ ডিগ্রি পর্যন্ত হেলানো যায়। আরামদায়ক কিন্তু বিল্ড কোয়ালিটি মাঝারি।
মিড-রেঞ্জ গেমিং চেয়ার দাম ৩০০০০ থেকে ৪০০০০ টাকা। ভালো মানের ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার হয়। PU লেদার বা ফেব্রিক কভার থাকে। হাইড্রলিক সিস্টেম স্মুথ। হেইট এডজাস্টমেন্ট সহজ। আর্মরেস্ট এডজাস্টেবল। ৪D আর্মরেস্ট পাবেন কিছু মডেলে।
প্রিমিয়াম গেমিং চেয়ার দাম ৪৫০০০ থেকে ৫০০০০ টাকা বা তার উপরে। টপ ব্র্যান্ড যেমন সিক্রেটল্যাব, আরক, নবলচেয়ার। জেনুইন লেদার ইউজ করা হয়। মেটাল ফ্রেম শক্ত। ওজন ক্যাপাসিটি ১৫০ কেজি পর্যন্ত। ৫ বছর ওয়ারেন্টি পাবেন। একবার কিনলে অনেক বছর চলবে।
| চেয়ার টাইপ | দাম | ওজন সীমা | ওয়ারেন্টি |
| বাজেট চেয়ার | ১৫০০০-২৫০০০ টাকা | ১০০ কেজি | ১ বছর |
| মিড-রেঞ্জ চেয়ার | ৩০০০০-৪০০০০ টাকা | ১২০ কেজি | ২ বছর |
| প্রিমিয়াম চেয়ার | ৪৫০০০-৫০০০০+ টাকা | ১৫০ কেজি | ৫ বছর |
Free fire গেমিং এক্সেসরিজ bd
ফ্রি ফায়ার বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল গেম। লাখো খেলোয়াড় আছে এই গেমের। ভালো র্যাংক পেতে চাইলে এক্সেসরিজ দরকার। ফ্রি ফায়ারের জন্য বিশেষ এক্সেসরিজ পাওয়া যায়। সব মোবাইল গেমিং এক্সেসরিজ ফ্রি ফায়ারে কাজ করে।
ফিঙ্গার স্লিভ ফ্রি ফায়ার খেলোয়াড়দের মাস্ট হ্যাভ। দ্রুত মুভমেন্ট এবং এইমিং এর জন্য জরুরি। দাম মাত্র ৫০ থেকে ৫০০ টাকা। সিলভার ফাইবার স্লিভ ভালো। স্ক্রিনে স্মুথলি স্লাইড হয়। ঘাম হলেও সমস্যা নেই। হেড শট নিতে সহজ হয়।
গেমিং ট্রিগার ফ্রি ফায়ারে অনেক সাহায্য করে। বিশেষ করে শুটিংয়ে। চার ফিঙ্গার প্লে করতে পারবেন। দাম ২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। স্পিনবট ট্রিগার সবচেয়ে জনপ্রিয়। প্রফেশনাল ফ্রি ফায়ার প্লেয়াররা এটা ইউজ করে। কুলিং ফ্যান থাকে যা ফোন ঠান্ডা রাখে।
- ফ্রি ফায়ারে দ্রুত রেসপন্সের জন্য কম লেটেন্সি ইয়ারফোন লাগবে
- সাউন্ড পজিশনিং জানতে ভালো হেডফোন অবশ্যই চাই
- মোবাইল কুলার ব্যবহার করলে ফোন লেগ করবে না
- পাওয়ার ব্যাংক রাখুন দীর্ঘ সময় খেলার জন্য
মোবাইল কুলার ফ্রি ফায়ারে খুবই দরকারি। গেম খেলতে খেলতে ফোন গরম হয়ে যায়। পারফরম্যান্স কমে। ফ্রেম ড্রপ হয়। কুলার লাগালে ফোন ঠান্ডা থাকে। দাম ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা। ফ্যান টাইপ কুলার ভালো কাজ করে। সেমিকন্ডাক্টর কুলার আরও ভালো কিন্তু দামি।
Pubg gaming accessories price bd
পাবজি মোবাইল আরেকটি জনপ্রিয় ব্যাটল রয়েল গেম। বাংলাদেশে হাজার হাজার পাবজি প্লেয়ার আছে। কম্পিটিটিভ গেমিংয়ের জন্য ভালো এক্সেসরিজ লাগে। পাবজি এক্সেসরিজ দাম সাশ্রয়ী থেকে প্রিমিয়াম পর্যন্ত।
পাবজি ট্রিগার খুবই জরুরি। এল১ আর১ বাটনের মতো কাজ করে। শুটিং নিখুঁত হয়। স্কোপ এবং শুট একসাথে করা যায়। দাম ২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। মেমো ট্রিগার ভালো ব্র্যান্ড। দাম ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। ফ্লাইডিগি ট্রিগার আরেকটা অপশন।
পাবজি কন্ট্রোলার আরেক ধরনের এক্সেসরিজ। গেমপ্যাডের মতো দেখতে। ফোন মাঝখানে বসে। দুই পাশে বাটন থাকে। দাম ১৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা। GameSir, Gamesir X2 জনপ্রিয়। কনসোলের মতো ফিল পাবেন। কন্ট্রোল অনেক ভালো হয়।
| এক্সেসরিজ | দাম | উপকারিতা |
| PUBG ট্রিগার | ২০০-২৫০০ টাকা | শুটিং নিয়ন্ত্রণ উন্নত |
| গেম কন্ট্রোলার | ১৫০০-৫০০০ টাকা | কনসোল লাইক অভিজ্ঞতা |
| লো লেটেন্সি ইয়ারফোন | ৮০০-৪০০০ টাকা | সাউন্ড পজিশনিং |
| ফিঙ্গার স্লিভ | ৫০-৫০০ টাকা | স্মুথ কন্ট্রোল |
Wireless গেমিং এক্সেসরিজ bd
ওয়ারলেস গেমিং এক্সেসরিজ এখন খুবই জনপ্রিয়। কেবলের ঝামেলা নেই। ডেস্ক পরিষ্কার থাকে। মুভমেন্ট ফ্রিডম পাবেন। বাংলাদেশে ওয়ারলেস গেমিং প্রোডাক্ট অনেক পাওয়া যায়। দাম একটু বেশি কিন্তু সুবিধা অনেক।
ওয়ারলেস গেমিং মাউস দাম ১৫০০ টাকা থেকে শুরু। ভালো মানের মাউস ৩০০০ থেকে ৬০০০ টাকা। প্রিমিয়াম ওয়ারলেস মাউস ৮০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা। লজিটেক জি প্রো ওয়ারলেস খুব জনপ্রিয়। রেজার ভাইপার আলটিমেট আরেকটা সেরা চয়েস। লেটেন্সি নেই বললেই চলে।
ওয়ারলেস কিবোর্ড দাম ২০০০ টাকা থেকে। মেকানিকাল ওয়ারলেস কিবোর্ড ৬০০০ থেকে ২০০০০ টাকা। ব্লুটুথ এবং ২.৪GHz দুটো অপশন থাকে। ব্যাটারি লাইফ ভালো। ৩০ থেকে ৪০ ঘণ্টা চলে। রিচার্জেবল ব্যাটারি থাকে। ইউএসবি-সি চার্জিং সুবিধা পাবেন।
- ওয়ারলেস প্রোডাক্ট ব্যাটারি চালিত তাই চার্জ দিতে হয়
- রিচার্জেবল ব্যাটারি খরচ বাঁচায় দীর্ঘমেয়াদে
- ২.৪GHz ওয়ারলেস ব্লুটুথের চেয়ে কম লেটেন্সি দেয়
- ইউএসবি ডঙ্গল ছাড়া হারিয়ে গেলে কাজ করবে না
Gaming mouse pad দাম বাংলাদেশে
গেমিং মাউস পেড অনেকে গুরুত্ব দেয় না। কিন্তু এটা খুবই জরুরি। ভালো মাউস পেড প্রিসিশন বাড়ায়। মাউস স্মুথলি মুভ করে। বাংলাদেশে মাউস পেড দাম খুবই কম। মাত্র ১৫০ টাকা থেকে শুরু। সবাই কিনতে পারে।
বেসিক মাউস পেড দাম ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা। ছোট সাইজ হয়। কাপড়ের সারফেস থাকে। নিচে রবার বেস থাকে। পিছলে যায় না। সাধারণ গেমিংয়ের জন্য যথেষ্ট। দাম কম তাই সহজে বদলানো যায়। ময়লা হলে ধুয়ে নেওয়া যায়।
মিড-সাইজ মাউস পেড দাম ৬০০ থেকে ১৫০০ টাকা। মাঝারি সাইজ হয়। মাউস এবং কিবোর্ড দুটোই রাখা যায়। এক্সটেন্ডেড ডিজাইন। সারফেস স্মুথ। স্পিড টাইপ পেড দ্রুত মুভমেন্টের জন্য ভালো। কন্ট্রোল টাইপ পেড নিখুঁত এইমিংয়ের জন্য।
গেমিং controller price in Bangladesh
বাংলাদেশে গেমিং কন্ট্রোলার এখন খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মোবাইল এবং পিসি গেমিং উভয় ক্ষেত্রেই কন্ট্রোলার ব্যবহার বাড়ছে। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কন্ট্রোলার পাওয়া যায়। দাম শুরু হয় মাত্র ৫০০ টাকা থেকে। ভালো মানের ওয়্যারলেস কন্ট্রোলার পেতে খরচ হতে পারে ২০০০ থেকে ৪০০০ টাকা। Xbox এবং PlayStation স্টাইলের কন্ট্রোলার বেশি চাহিদা রয়েছে। বাজেট কন্ট্রোলার দিয়েও ভালো গেমিং অভিজ্ঞতা পাওয়া সম্ভব। তবে দীর্ঘস্থায়িত্ব চাইলে একটু বেশি টাকা খরচ করাই ভালো। ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি এবং রিচার্জেবল ব্যাটারি আছে এমন মডেল বেছে নিন। এতে গেম খেলতে আরো সুবিধা হবে।
Spinbot গেমিং trigger price bd
মোবাইল গেমারদের কাছে স্পিনবট গেমিং ট্রিগার একটি দারুণ জিনিস। PUBG এবং Free Fire এর মতো গেমে এটি অনেক সাহায্য করে। ট্রিগার ব্যবহার করলে শুটিং আরো দ্রুত এবং নির্ভুল হয়। বাংলাদেশে স্পিনবট ট্রিগারের দাম শুরু হয় ১৫০ টাকা থেকে। সাধারণ প্লাস্টিকের ট্রিগার ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় পাওয়া যায়। মেটাল বডির উন্নত মানের ট্রিগার দাম পড়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। কিছু ট্রিগারে ফ্যান কুলার যুক্ত থাকে। এগুলোর দাম একটু বেশি হয় ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা। ট্রিগার কিনার সময় ফোনের সাইজ মাপ চেক করুন। সঠিক সাইজ না হলে সেটা ভালো কাজ করবে না। অনলাইন শপ এবং স্থানীয় বাজার দুই জায়গাতেই ট্রিগার পাবেন।
Budget গেমিং এক্সেসরিজ bangladesh
বাজেটের মধ্যে গেমিং এক্সেসরিজ কিনতে চান অনেকেই। বাংলাদেশে এখন সাশ্রয়ী দামে ভালো মানের পণ্য পাওয়া যায়। ৫০০ টাকার মধ্যে ভালো গেমিং ইয়ারফোন কিনতে পারবেন। ১০০০ টাকা বাজেটে RGB লাইট সহ মাউস এবং মাউস প্যাড পাওয়া যায়। কিবোর্ড এবং মাউস কম্বো পাবেন ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকায়। মোবাইল গেমিং জন্য ফিঙ্গার স্লিভ মাত্র ৫০ থেকে ১০০ টাকা। গেমিং চেয়ার বাজেটে না পেলে কুশন কিনতে পারেন ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায়। হেডফোন স্ট্যান্ড এবং কেবল অর্গানাইজার পাবেন ২০০ থেকে ৫০০ টাকায়। বাজেট পণ্য কিনলেও রিভিউ দেখে কিনবেন। এতে টাকা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। লোকাল ব্র্যান্ডগুলোও এখন ভালো মানের পণ্য দিচ্ছে।
- মাউস প্যাড: ১৫০-৫০০ টাকায় বড় সাইজের RGB মাউস প্যাড
- ইয়ারফোন: ৩০০-৮০০ টাকায় গেমিং ইয়ারফোন মাইক সহ
- মোবাইল স্ট্যান্ড: ২০০-৬০০ টাকায় এডজাস্টেবল ফোন হোল্ডার
- কেবল: ১০০-৩০০ টাকায় দ্রুত চার্জিং USB ক্যাবল
- ফিঙ্গার স্লিভ: ৫০-২০০ টাকায় সিলভার ফাইবার স্লিভ
Cool gaming setup accessories bd
কুল গেমিং সেটআপ তৈরি করতে চান? তাহলে কিছু বিশেষ এক্সেসরিজ দরকার হবে। RGB LED স্ট্রিপ লাইট দিয়ে ডেস্ক সাজাতে পারেন। এর দাম পড়ে ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা। হেডফোন স্ট্যান্ড RGB লাইট সহ পাওয়া যায় ১০০০ থেকে ২০০০ টাকায়। ডেস্ক অর্গানাইজার এবং ক্যাবল ম্যানেজমেন্ট টুলস জরুরি। এগুলো ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকায় কিনতে পারবেন। মনিটর লাইট বার চোখের জন্য ভালো এবং সেটআপ দেখতে দারুণ লাগে। এর দাম ১৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। ডেস্ক ম্যাট বড় সাইজের কিনলে পুরো সেটআপ পরিষ্কার দেখায়। এর দাম ১২০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত হয়। ছোট প্ল্যান্ট এবং মিনি ফিগার দিয়েও সেটআপ সাজানো যায়। এসব জিনিস দিয়ে আপনার গেমিং কর্নার ইউনিক হবে।
গেমিং এক্সেসরিজ online shop bd
অনলাইন শপিং এখন সবচেয়ে সহজ উপায় গেমিং এক্সেসরিজ কেনার। বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় অনলাইন শপ রয়েছে। Daraz বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখানে হাজারো গেমিং পণ্য পাবেন সব দামে। Pickaboo এবং Ryans Computers টেক পণ্যের জন্য বিখ্যাত। এসব সাইটে অরিজিনাল ব্র্যান্ডেড পণ্য পাওয়া যায়। Gadget & Gear এবং Tech Land ভালো কালেকশন রাখে। Facebook এ অনেক গেমিং এক্সেসরিজ শপ পেজ আছে। এখান থেকেও কিনতে পারেন তবে সাবধানে। অনলাইনে কিনলে ঘরে বসে পণ্য পাবেন। দাম তুলনা করে সেরা অফার খুঁজে নিতে পারবেন। রিভিউ এবং রেটিং দেখে পণ্যের মান বুঝুন। ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা থাকলে নিরাপদ।
Best mobile গেমিং এক্সেসরিজ ২০২৫
মোবাইল গেমিং এখন খুব জনপ্রিয় বাংলাদেশে। ২০২৫ সালে মোবাইল গেমারদের জন্য অনেক নতুন পণ্য এসেছে। গেমিং ট্রিগার এখনো সবচেয়ে চাহিদা সম্পন্ন এক্সেসরি। ফ্যান কুলার যুক্ত ট্রিগার ফোন ঠান্ডা রাখে। ওয়্যারলেস গেমপ্যাড মোবাইলের সাথে কানেক্ট করা যায়। এতে কনসোলের মতো ফিল পাওয়া যায়। পাওয়ার ব্যাংক অবশ্যই দরকার লং গেমিং সেশনের জন্য। ২০০০০ এমএএইচ পাওয়ার ব্যাংক যথেষ্ট হবে। ফিঙ্গার স্লিভ স্ক্রিনে টাচ মসৃণ করে। গেমিং হেডসেট লো লেটেন্সি সহ বেছে নিন। মোবাইল হোল্ডার বা স্ট্যান্ড আরামদায়ক পজিশনে ফোন রাখতে সাহায্য করে। এন্টি-গ্লেয়ার স্ক্রিন প্রটেক্টর চোখের স্ট্রেইন কমায়।
- গেমিং ট্রিগার: ফ্যান কুলিং সিস্টেম সহ ১৫০০-২৫০০ টাকা
- ফিঙ্গার স্লিভ: সিলভার ফাইবার ম্যাটেরিয়াল ১০০-৩০০ টাকা
- মোবাইল হোল্ডার: এডজাস্টেবল ডেস্ক স্ট্যান্ড ৫০০-১৫০০ টাকা
- পাওয়ার ব্যাংক: ফাস্ট চার্জিং ২০০০০ এমএএইচ ২০০০-৪০০০ টাকা
- গেমপ্যাড: ব্লুটুথ ওয়্যারলেস কন্ট্রোলার ১৮০০-৩৫০০ টাকা
Latest gaming accessories in bd
২০২৫ সালে বাংলাদেশে অনেক নতুন গেমিং এক্সেসরিজ এসেছে। মেকানিক্যাল কিবোর্ড এখন আরো সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যাচ্ছে। হট-সোয়াপেবল সুইচ সহ কিবোর্ড বাজারে এসেছে। ওয়্যারলেস মেকানিক্যাল কিবোর্ডের চাহিদা বেড়েছে। RGB মাউস এখন ১২০০০ ডিপিআই পর্যন্ত সাপোর্ট করে। ওয়্যারলেস চার্জিং মাউস প্যাড নতুন ট্রেন্ড। হাই স্পিড টাইপ-সি ক্যাবল এবং হাব বাজারে এসেছে। গেমিং চেয়ার এখন আরো আরামদায়ক ডিজাইনে পাওয়া যায়। ৪ডি আর্মরেস্ট এবং লাম্বার সাপোর্ট সহ চেয়ার জনপ্রিয়। কার্ভড গেমিং মনিটর ২৭ ইঞ্চি সাইজে এসেছে। ১৪৪ হার্জ রিফ্রেশ রেট সহ মনিটরের দাম কমেছে। স্ট্রিমিং এর জন্য রিং লাইট এবং ওয়েবক্যাম পাওয়া যাচ্ছে।
Cheap গেমিং এক্সেসরিজ বাংলাদেশ
সস্তা দামে ভালো গেমিং এক্সেসরিজ খুঁজছেন? বাংলাদেশে এখন অনেক সুলভ মূল্যের পণ্য পাওয়া যায়। চাইনিজ ব্র্যান্ডের পণ্য সাশ্রয়ী এবং কার্যকরী। ১০০ টাকার নিচে ফিঙ্গার স্লিভ এবং মোবাইল স্ট্যান্ড পাবেন। ৫০০ টাকায় ভালো মানের ওয়্যার্ড মাউস কিনতে পারবেন। ৮০০ টাকায় LED লাইট সহ মাউস পাওয়া যায়। ১০০০ টাকার মধ্যে মাল্টিমিডিয়া কিবোর্ড পাবেন। গেমিং ইয়ারফোন ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় ভালো সাউন্ড দেয়। মাউস প্যাড বড় সাইজের ২০০ থেকে ৪০০ টাকায়। মোবাইল ট্রিগার প্লাস্টিকের ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা। হেডসেট স্ট্যান্ড সাধারণ ডিজাইনের ২৫০ টাকায় পাবেন। সস্তা পণ্য কিনলেও ওয়ারেন্টি চেক করবেন। দোকানদার বা সেলারের রিভিউ দেখে কিনুন।
Mechanical keyboard for gaming bd
মেকানিক্যাল কিবোর্ড গেমারদের প্রথম পছন্দ। টাইপিং এবং গেমিং দুটোতেই দারুণ পারফরম্যান্স দেয়। বাংলাদেশে মেকানিক্যাল কিবোর্ডের দাম শুরু হয় ২৫০০ টাকা থেকে। বাজেট মেকানিক্যাল কিবোর্ড ব্লু সুইচ সহ পাওয়া যায়। এগুলো ক্লিকি সাউন্ড করে যা অনেকের ভালো লাগে। রেড সুইচ কিবোর্ড লিনিয়ার এবং শান্ত। ব্রাউন সুইচ দুটোর মাঝামাঝি ফিল দেয়। RGB ব্যাকলিট মেকানিক্যাল কিবোর্ড ৩৫০০ থেকে শুরু। ওয়্যারলেস মেকানিক্যাল কিবোর্ড দাম ৫০০০ থেকে ১০০০০ টাকা। হট-সোয়াপেবল কিবোর্ড ৬০০০ টাকা থেকে পাওয়া যায়। এতে সুইচ বদলানো যায় সহজেই। ব্র্যান্ড হিসেবে Redragon এবং Fantech জনপ্রিয়। Corsair এবং Razer প্রিমিয়াম অপশন।
- ব্লু সুইচ: ক্লিকি সাউন্ড টাইপিং এর জন্য ভালো
- রেড সুইচ: লিনিয়ার এবং দ্রুত রেসপন্স গেমিং এর জন্য
- ব্রাউন সুইচ: ব্যালেন্সড ফিল দুটোর জন্যই ভালো
- হট-সোয়াপ: সুইচ পরিবর্তন করা সহজ কাস্টমাইজেশনের জন্য
- RGB লাইটিং: কাস্টম কালার এবং ইফেক্ট সেট করা যায়
Top rated গেমিং এক্সেসরিজ price list
বাংলাদেশে সবচেয়ে রেটেড গেমিং এক্সেসরিজ এর দাম জানুন। Logitech G102 মাউস দাম ২২০০ থেকে ২৮০০ টাকা। Redragon K552 মেকানিক্যাল কিবোর্ড ৩৮০০ থেকে ৪৫০০ টাকা। HyperX Cloud Stinger হেডসেট দাম ৫৫০০ থেকে ৬৫০০ টাকা। SteelSeries QcK মাউস প্যাড ১৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা। Xbox ওয়্যারলেস কন্ট্রোলার দাম ৬০০০ থেকে ৭৫০০ টাকা। Razer Viper মিনি মাউস ৩৮০০ থেকে ৪৮০০ টাকা। Fantech MH90 হেডসেট ২২০০ থেকে ৩০০০ টাকা। Corsair K55 কিবোর্ড দাম ৪৫০০ থেকে ৫৫০০ টাকা। AOC ২৪ ইঞ্চি গেমিং মনিটর ১৫০০০ থেকে ২০০০০ টাকা। এসব পণ্য ভালো পারফরম্যান্স এবং দীর্ঘস্থায়ী। রিভিউ অনুযায়ী এগুলো সবচেয়ে ভালো ভ্যালু দেয়।
Gaming finger sleeve Daraz price
Daraz এ গেমিং ফিঙ্গার স্লিভ অনেক ভেরাইটিতে পাওয়া যায়। সাধারণ প্লাস্টিক স্লিভ দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা। এগুলো বেসিক গেমিং এর জন্য ঠিক আছে। সিলভার ফাইবার ফিঙ্গার স্লিভ ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা। এই স্লিভ টাচ সেন্সিটিভিটি অনেক বাড়ায়। ব্র্যান্ডেড ফিঙ্গার স্লিভ ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। কিছু স্লিভ অ্যান্টি-সোয়েট কোটিং সহ আসে। পেয়ার স্লিভ দুই আঙুলের জন্য ১০০ থেকে ২৫০ টাকা। কালার অপশন থাকে ব্ল্যাক, পিংক, ব্লু, গ্রে। সাইজ সাধারণত S, M, L তিন ধরনের হয়। Daraz এ ফ্রি ডেলিভারি অফার পাওয়া যায় মাঝে মাঝে। ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা আছে সব প্রোডাক্টে। রিভিউ দেখে কিনলে ভালো মানের স্লিভ পাবেন।
গেমিং gear for beginners bd
নতুন গেমার হিসেবে শুরু করতে চান? প্রথমে বেসিক গেমিং গিয়ার কিনুন। একটি ভালো মাউস হলো প্রথম বিনিয়োগ। ১০০০ থেকে ২০০০ টাকায় ভালো মাউস পাবেন। মেমব্রেন কিবোর্ড দিয়ে শুরু করতে পারেন ১৫০০ টাকায়। পরে মেকানিক্যাল কিবোর্ড নেবেন। হেডসেট বা ইয়ারফোন ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকায় কিনুন। মাউস প্যাড বড় সাইজের ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা। মোবাইল গেমার হলে ট্রিগার এবং ফিঙ্গার স্লিভ নিন। এগুলো ৫০০ টাকার মধ্যে পাবেন দুটো মিলে। ডেস্ক এবং চেয়ার আরামদায়ক হওয়া জরুরি। শুরুতে সাধারণ চেয়ার চলবে। পরে গেমিং চেয়ার কিনবেন বাজেট হলে। কেবল ম্যানেজমেন্ট এর জন্য ছোট জিনিস কিনুন। এগুলো ১০০ থেকে ৩০০ টাকায় পাওয়া যায়।
- মাউস: ৬ বাটন এবং এডজাস্টেবল ডিপিআই সহ
- কিবোর্ড: মাল্টিমিডিয়া কন্ট্রোল এবং ব্যাকলিট সহ
- হেডসেট: মাইক্রোফোন এবং ভলিউম কন্ট্রোল সহ
- মাউস প্যাড: নন-স্লিপ বেস এবং স্টিচড এজ সহ
- মোবাইল গিয়ার: ট্রিগার এবং ফিঙ্গার স্লিভ সেট
RGB mouse এবং keyboard দাম বাংলাদেশে
RGB মাউস এবং কিবোর্ড এখন খুব ট্রেন্ডি। লাইটিং ইফেক্ট গেমিং সেটআপ দারুণ দেখায়। RGB মাউস এর দাম শুরু হয় ৮০০ টাকা থেকে। বেসিক RGB মাউস ১০০০ থেকে ১৮০০ টাকায় ভালো। প্রোগ্রামেবল RGB মাউস ২৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা। RGB কিবোর্ড মেমব্রেন টাইপ ১৫০০ থেকে ২৮০০ টাকা। RGB মেকানিক্যাল কিবোর্ড ৩৫০০ টাকা থেকে শুরু। প্রিমিয়াম RGB সেটআপ ৮০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা পর্যন্ত। কম্বো সেট মাউস এবং কিবোর্ড ২৫০০ থেকে ৪৫০০ টাকা। RGB লাইটিং সফটওয়্যার দিয়ে কন্ট্রোল করা যায়। কাস্টম কালার এবং ইফেক্ট সেট করতে পারবেন। ব্র্যান্ড হিসেবে Fantech, Redragon, A4Tech ভালো। লোকাল ব্র্যান্ড Havit এবং Rapoo ও ভালো অপশন।
Gaming gadgets ও এক্সেসরিজ bangladesh
গেমিং গ্যাজেট এবং এক্সেসরিজ বাংলাদেশে বিশাল মার্কেট। পিসি গেমিং থেকে মোবাইল গেমিং সব ক্ষেত্রেই পণ্য পাওয়া যায়। গেমিং মাউস হলো মূল গ্যাজেট যা প্রতিটি গেমারের দরকার। উচ্চ ডিপিআই মাউস দ্রুত এবং নির্ভুল কাজ করে। গেমিং হেডসেট সারাউন্ড সাউন্ড দেয় যা গেম এক্সপেরিয়েন্স বাড়ায়। ওয়েবক্যাম স্ট্রিমিং এর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাজেট। ১০৮০পি ওয়েবক্যাম ২৫০০ থেকে ৪৫০০ টাকায় পাওয়া যায়। গেমিং মনিটর উচ্চ রিফ্রেশ রেট সহ পাওয়া যায়। ১৪৪ হার্জ মনিটর ১৫০০০ টাকা থেকে শুরু। গ্রাফিক্স ট্যাবলেট ডিজাইন এবং গেমিং দুটোতেই কাজে লাগে। এক্সটার্নাল জিপিইউ ল্যাপটপ গেমারদের জন্য ভালো। ইউএসবি হাব এবং কার্ড রিডার প্রয়োজনীয় এক্সেসরি। LED স্ট্রিপ এবং নিয়ন সাইন সেটআপ সাজাতে সাহায্য করে।
গেমিং এক্সেসরিজ review ও buying guide

গেমিং এক্সেসরিজ কেনার আগে রিভিউ পড়া জরুরি। YouTube এ বাংলা রিভিউ ভিডিও অনেক পাবেন। Tech reviewers দের চ্যানেল ফলো করুন নিয়মিত। Facebook গ্রুপে গেমারদের মতামত জানতে পারবেন। পণ্য কেনার সময় কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখুন। প্রথমত আপনার বাজেট ঠিক করুন স্পষ্টভাবে। দ্বিতীয়ত কোন ধরনের গেম খেলেন সেটা ভাবুন। FPS গেমারদের দ্রুত রেসপন্স টাইম দরকার। MOBA গেমারদের প্রোগ্রামেবল বাটন লাগে। ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি চেক করুন অবশ্যই। লোকাল ওয়ারেন্টি থাকলে সার্ভিস পাওয়া সহজ। পণ্যের বিল্ড কোয়ালিটি দেখুন হাতে নিয়ে। প্ল্যাস্টিক নাকি মেটাল বডি সেটা গুরুত্বপূর্ণ। কানেক্টিভিটি অপশন দেখুন ওয়্যার্ড নাকি ওয়্যারলেস।
- বাজেট: আগে থেকে নির্ধারণ করুন কত খরচ করবেন
- গেম টাইপ: আপনার গেমিং স্টাইল অনুযায়ী বাছাই করুন
- ব্র্যান্ড: পরিচিত ব্র্যান্ড থেকে কিনলে ভালো সাপোর্ট পাবেন
- ওয়ারেন্টি: কমপক্ষে ৬ মাস ওয়ারেন্টি থাকা দরকার
- রিভিউ: অন্যদের অভিজ্ঞতা জেনে সিদ্ধান্ত নিন
উপসংহার
গেমিং এক্সেসরিজ আপনার গেমিং অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। বাংলাদেশে এখন সব ধরনের বাজেটের পণ্য পাওয়া যায়। শুরু করার জন্য বেসিক এক্সেসরিজ যথেষ্ট। ধীরে ধীরে আপগ্রেড করবেন স্কিল বাড়ার সাথে। সঠিক পণ্য নির্বাচন করতে রিসার্চ করুন ভালোভাবে। রিভিউ পড়ুন এবং অন্যদের মতামত জানুন। নিজের গেমিং স্টাইল বুঝে পণ্য বাছাই করুন। বাজেট ঠিক করে তারপর কেনাকাটা শুরু করুন। মানসম্মত পণ্য দীর্ঘদিন চলে এবং ভালো পারফরম্যান্স দেয়। অনলাইন এবং অফলাইন দুই জায়গা থেকেই কিনতে পারেন। নিরাপদ পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করুন সবসময়। ওয়ারেন্টি এবং রিটার্ন পলিসি চেক করে কিনুন। ভালো গেমিং সেটআপ আপনার পারফরম্যান্স বাড়াবে নিশ্চিত। এটা শুধু গেম নয়, একটা সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা।
লেখকের নোট : এই নিবন্ধে আমরা গেমিং এক্সেসরিজ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। বাংলাদেশের বাজার, দাম এবং পণ্যের মান নিয়ে জানিয়েছি। আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কেনাকাটায় সাহায্য করবে। সঠিক এক্সেসরিজ দিয়ে আপনার গেমিং জার্নি শুরু করুন আজই।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
গেমিং এক্সেসরিজ কেনার জন্য সর্বনিম্ন বাজেট কত?
মোবাইল গেমিং জন্য ৫০০-১০০০ টাকা যথেষ্ট শুরু করতে। পিসি গেমিং জন্য ৫০০০-১০০০০ টাকা বাজেট রাখুন। এই টাকায় মাউস, কিবোর্ড এবং হেডসেট কিনতে পারবেন। প্রথমে বেসিক পণ্য দিয়ে শুরু করুন।
কোন ব্র্যান্ডের গেমিং এক্সেসরিজ সবচেয়ে ভালো?
Logitech, Razer এবং Corsair আন্তর্জাতিক লেভেলে সেরা। বাজেট ফ্রেন্ডলি ব্র্যান্ড Fantech, Redragon ভালো পারফরম্যান্স দেয়। লোকাল ব্র্যান্ড Havit এবং A4Tech ও ভরসাযোগ্য। আপনার বাজেট অনুযায়ী ব্র্যান্ড বাছাই করুন।
অনলাইনে নাকি দোকান থেকে কিনব?
দুই জায়গা থেকেই কিনতে পারেন সুবিধামত। অনলাইনে দাম তুলনা করা এবং রিভিউ দেখা সহজ। দোকানে গিয়ে পণ্য হাতে নিয়ে দেখতে পারবেন। প্রথমবার কিনলে দোকানে গিয়ে দেখুন ভালো।
গেমিং মাউস এবং সাধারণ মাউসের পার্থক্য কি?
গেমিং মাউসে উচ্চ ডিপিআই এবং দ্রুত রেসপন্স টাইম থাকে। প্রোগ্রামেবল বাটন থাকে কাস্টম কমান্ডের জন্য। RGB লাইটিং এবং এরগোনমিক ডিজাইন থাকে। সাধারণ মাউসে এসব ফিচার থাকে না।
মেকানিক্যাল কিবোর্ড কেন গেমিং এর জন্য ভালো?
মেকানিক্যাল কিবোর্ড দ্রুত রেসপন্স দেয় প্রতিটি কী প্রেসে। ডিউরেবিলিটি অনেক বেশি মেমব্রেন থেকে। টাইপিং ফিল ভালো এবং নির্ভুল। এন-কী রোলওভার থাকে যা গেমিং এ জরুরি।
RGB লাইটিং কি শুধুই সৌন্দর্যের জন্য?
RGB লাইটিং মূলত এস্থেটিক্সের জন্য ব্যবহার হয়। তবে ডিম লাইটে গেম খেলার সময় কী দেখতে সাহায্য করে। কিছু গেম RGB লাইটিং সিঙ্ক করে গেমের সাথে। এটা immersive অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
গেমিং হেডসেট কতটা জরুরি?
প্রতিযোগিতামূলক গেমিং এ হেডসেট অত্যন্ত জরুরি। সারাউন্ড সাউন্ড দিয়ে শত্রুর অবস্থান বুঝতে পারবেন। মাইক্রোফোন দিয়ে টিম কমিউনিকেশন সহজ হয়। ক্যাজুয়াল গেমিং এ সাধারণ ইয়ারফোন চলবে।
গেমিং চেয়ার কি সত্যিই প্রয়োজন?
দীর্ঘ সময় গেম খেলার জন্য চেয়ার খুব জরুরি। সাধারণ চেয়ারে বসে থাকলে কোমর ব্যথা হয়। গেমিং চেয়ারে লাম্বার সাপোর্ট এবং আর্মরেস্ট থাকে। শুরুতে কুশন ব্যবহার করতে পারেন সাধারণ চেয়ারে।
কত ডিপিআই মাউস গেমিং এর জন্য ভালো?
FPS গেমে ৪০০-৮০০ ডিপিআই লো সেন্সিটিভিটি ভালো। MOBA গেমে ১০০০-১৬০০ ডিপিআই মিড রেঞ্জ ভালো। এডজাস্টেবল ডিপিআই মাউস কিনলে সব গেমে ব্যবহার করতে পারবেন। নিজের কমফোর্ট অনুযায়ী সেটিংস করুন।
ওয়্যারলেস নাকি ওয়্যার্ড এক্সেসরিজ ভালো?
ওয়্যার্ড এক্সেসরিজে লেটেন্সি একদম কম থাকে। প্রতিযোগিতামূলক গেমিং এ ওয়্যার্ড ভালো পারফরম্যান্স দেয়। ওয়্যারলেস সুবিধাজনক এবং কেবল ঝামেলা নেই। আধুনিক ওয়্যারলেস ডিভাইস লেটেন্সি খুব কম।
গেমিং মনিটর রিফ্রেশ রেট কত হওয়া উচিত?
ক্যাজুয়াল গেমিং এ ৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেট যথেষ্ট। প্রতিযোগিতামূলক গেমিং এ ১৪৪ হার্জ স্ট্যান্ডার্ড। প্রফেশনাল লেভেলে ২৪০ হার্জ মনিটর ব্যবহার হয়। বেশি রিফ্রেশ রেট মসৃণ গেমপ্লে দেয়।
ফিঙ্গার স্লিভ কীভাবে বেছে নেব?
সিলভার ফাইবার ম্যাটেরিয়াল সবচেয়ে ভালো কাজ করে। সাইজ আপনার আঙুলের সাথে ফিট হতে হবে। খুব টাইট বা লুজ হলে কাজ হবে না। দুই পিস প্যাক কিনলে দুই আঙুলে ব্যবহার করতে পারবেন।
পাওয়ার ব্যাংক কত এমএএইচ হওয়া উচিত?
১০০০০ এমএএইচ পাওয়ার ব্যাংক দৈনিক ব্যবহারের জন্য ভালো। ২০০০০ এমএএইচ দুই-তিন দিন চলবে ভারী ব্যবহারে। ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট থাকলে সময় বাঁচবে। পোর্টেবিলিটির জন্য হালকা ওজনের বেছে নিন।
গেমিং এর জন্য ইন্টারনেট স্পিড কত লাগে?
অনলাইন গেমিং এর জন্য ১০-২৫ এমবিপিএস যথেষ্ট। পিং কম হওয়া বেশি জরুরি স্পিডের চেয়ে। ৫০ মিলিসেকেন্ডের নিচে পিং ভালো। স্ট্রিমিং করলে ৫০+ এমবিপিএস লাগবে।
কোন মাউস প্যাড সাইজ বেছে নেব?
স্মল সাইজ ২৫×২৫ সেমি ছোট ডেস্কের জন্য। মিডিয়াম সাইজ ৪০×৩০ সেমি স্ট্যান্ডার্ড সাইজ। লার্জ সাইজ ৮০×৩০ সেমি কিবোর্ড এবং মাউস দুটোর জন্য। লো সেন্সিটিভিটি প্লেয়ারদের বড় প্যাড দরকার।
🔥 পোস্টটি শেয়ার করুনঃ 📲






